আজ সোমবার গণভবনে তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।আজকের মতবিনিময় সভায় ঠাকুরগাঁও, কক্সবাজার, বাগেরহাট, গাইবান্ধা, ফেনী, সিরাজগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের তৃণমূল নেতারা অংশ নেন। আগামী নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের অংশ হিসেবে ধারাবাহিকভাবে এ বৈঠক হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত ও হেফাজত দেশকে অন্ধকারের পথে নিয়ে যেতে চায়। বিএনপি ক্ষমতায় আসা মানেই দেশকে পিছিয়ে দেওয়া ও অন্ধকারের পথে ঠেলে দেওয়া। জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা অন্ধকারের যুগে ফিরে যাবে, নাকি আলোর পথে যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে, সেই পথেই থাকবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, দেশের জনগণ অন্ধকার নয়, আলোর পথে থাকতেই নৌকাকে বিজয়ী করবে।’বিরোধী দলের নেতা খালেদা জিয়ার ‘অন্যভাবে দেশ পরিচালনার’ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উনি বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতিদিনই উৎখাতের হুমকি দিচ্ছেন। কারণ, দেশের উন্নয়ন তাঁর সহ্য হচ্ছে না। আগে হাওয়া ভবন খুলে দুর্নীতি করে দুই ছেলেকে দিয়ে বিদেশে অর্থ পাচার করিয়েছেন। এখন অন্যভাবে দেশ পরিচালনার নামে হাওয়া ভবনের পরিবর্তে নতুন ভবন খুলে নতুনভাবে দুর্নীতি করতে চান।’ তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের নেতা জামায়াত ও হেফাজতকে সঙ্গে নিয়ে তেঁতুল তত্ত্ব দিয়েছেন। তিনি মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ এবং গার্মেন্টস শ্রমিকসহ লাখ লাখ নারী চাকরি করছেন, তাঁদের চাকরি করতে না দিয়ে ঘরে নিয়ে বসাবেন। দেশকে উনি আবারও অন্ধকারের পথে ঠেলে দিতে চান। দেশবাসী বিশেষ করে নারীসমাজকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তাঁরা কোন পথে যেতে চান—অন্ধকারের পথে, নাকি আলোর পথে।’সংসদীয় গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক রক্তের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি। এই গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ, গণতন্ত্র ছাড়া কোনো দেশ প্রকৃত উন্নয়ন করতে পারে না।’আগামী নির্বাচন দেশ ও জাতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নিজে (খালেদা জিয়া) ক্ষমতায় থাকতে জনগণের ভোট চুরি করেছিলেন বলেই সবাইকে চোর ভাবেন। ক্ষমতায় থাকতে তিনি হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছিলেন বলেই সবাইকে খুনি ভাবেন।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,
আজ সোমবার গণভবনে তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।আজকের মতবিনিময় সভায় ঠাকুরগাঁও, কক্সবাজার, বাগেরহাট, গাইবান্ধা, ফেনী, সিরাজগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের তৃণমূল নেতারা অংশ নেন। আগামী নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের অংশ হিসেবে ধারাবাহিকভাবে এ বৈঠক হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত ও হেফাজত দেশকে অন্ধকারের পথে নিয়ে যেতে চায়। বিএনপি ক্ষমতায় আসা মানেই দেশকে পিছিয়ে দেওয়া ও অন্ধকারের পথে ঠেলে দেওয়া। জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা অন্ধকারের যুগে ফিরে যাবে, নাকি আলোর পথে যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে, সেই পথেই থাকবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, দেশের জনগণ অন্ধকার নয়, আলোর পথে থাকতেই নৌকাকে বিজয়ী করবে।’বিরোধী দলের নেতা খালেদা জিয়ার ‘অন্যভাবে দেশ পরিচালনার’ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উনি বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতিদিনই উৎখাতের হুমকি দিচ্ছেন। কারণ, দেশের উন্নয়ন তাঁর সহ্য হচ্ছে না। আগে হাওয়া ভবন খুলে দুর্নীতি করে দুই ছেলেকে দিয়ে বিদেশে অর্থ পাচার করিয়েছেন। এখন অন্যভাবে দেশ পরিচালনার নামে হাওয়া ভবনের পরিবর্তে নতুন ভবন খুলে নতুনভাবে দুর্নীতি করতে চান।’ তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের নেতা জামায়াত ও হেফাজতকে সঙ্গে নিয়ে তেঁতুল তত্ত্ব দিয়েছেন। তিনি মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ এবং গার্মেন্টস শ্রমিকসহ লাখ লাখ নারী চাকরি করছেন, তাঁদের চাকরি করতে না দিয়ে ঘরে নিয়ে বসাবেন। দেশকে উনি আবারও অন্ধকারের পথে ঠেলে দিতে চান। দেশবাসী বিশেষ করে নারীসমাজকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তাঁরা কোন পথে যেতে চান—অন্ধকারের পথে, নাকি আলোর পথে।’সংসদীয় গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক রক্তের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি। এই গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ, গণতন্ত্র ছাড়া কোনো দেশ প্রকৃত উন্নয়ন করতে পারে না।’আগামী নির্বাচন দেশ ও জাতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নিজে (খালেদা জিয়া) ক্ষমতায় থাকতে জনগণের ভোট চুরি করেছিলেন বলেই সবাইকে চোর ভাবেন। ক্ষমতায় থাকতে তিনি হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছিলেন বলেই সবাইকে খুনি ভাবেন।’
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন